
(১ বছর আগে) ১০ নভেম্বর ২০২৪, রবিবার, ৪:৪১ অপরাহ্ন
পটুয়াখালী: পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলি দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার সুবিদখালীতে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজির স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার অনু।
সংবাদ সম্মেলনে সুরাইয়া আক্তার বলেন, আমার স্বামী উপজেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন। পরে সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিগত ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনে অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে দলকে সুসংগঠিত করছে।
অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় গত ৭ অক্টোবর গভীর রাতে আমাদের বাসায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এসময় তারা আমাদের বাসায় নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট জায়গা হতে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে। মনে হচ্ছিল এটা তাদের নিজেদের অস্ত্রাগার। তাহলে আমাদের বাসার এই জায়গা গুলো তাদের কিভাবে এত পরিচিত হল।
তিনি আরো বলেন, উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিতে আমার স্বামীর তো দূরের কথা, তার হাতের ছাপও পাওয়া যাবে না। আমার স্বামী কাউকে জীবনে একটা চড় থাপ্পরও মারেনি। আমার স্বামীর রাজনৈতিক সফলতায় ঈশ্বার্নিত হয়ে উপজেলা বিএনপি সভাপতি শাহাবুদ্দিন নান্নু এবং তার লোকজন পরিকল্পিত ভাবে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে তাকে গ্রেফতার করিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
সুরাইয়া আক্তার অনু আরও অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দিন নান্নুর সাথে দলের অভ্যান্তরীন গ্রুপিং থাকায় শাহাবুদ্দিন নান্নু তার সেনা অফিসার জামাতাকে ব্যবহার করে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করছেন।
এ ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন এবং এ ঘটনায় দলীয় ভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের দাবী জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর হোসেন এর দুই কন্যা রিংকি এবং পিংকি সহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয় জানতে চাইলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাবুদ্দিন নান্নু জানান, তিনি গত ১৫ দিন যাবত ঢাকায় অবস্থান করছেন, এ বিষয় তিনি কিছুই জানেননা। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করা হলে সেটি মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।