
(১ বছর আগে) ১৫ নভেম্বর ২০২৪, শুক্রবার, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
করোনা মহামারিতে একটি ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়েন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থ ও হিসাব বিভাগ থেকে এমবিএ পাস করা যুবক মনিরুজ্জামান সজীব। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে নতুন ব্যবসার চিন্তা থেকে জৈব সার কারখানা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কিন্তু এমন ফার্ম করতে যে অভিজ্ঞতা দরকার সেটি ছিল না তার। পরে স্থানীয় কৃষি অফিসের দ্বারস্থ হন তিনি। কৃষি কর্মকর্তার দেওয়া পরামর্শে বিভিন্ন জেলার এগ্রো ফার্ম পরিদর্শন করেন। এরপর নিজ গ্রামেই গড়ে তোলেন ‘হারুন অর্গানিক এগ্রো ফার্ম’ নামে একটি জৈব সার কারখানা।
মনিরুজ্জামান সজীবের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার রঘুনন্দনপুর গ্রামে। ২০২০ সাল থেকে শুরু হয় তার এ কার্যক্রম। বর্তমানে দুই ধরনের জৈব সার তৈরি করছেন তিনি। ট্রাইকো কম্পোস্ট ও ভার্মি কম্পোস্ট। এখান থেকে নিয়মিত জৈব সার উৎপাদন ও সরবরাহ করছেন। এই সার এখন ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, ফরিদপুর, যশোর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, নাটোর, পাবনা ও রাজশাহীতেও যাচ্ছে।
মনিরুজ্জামান সজীবের মতে, সরকার যদি বেসরকারিভাবে কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করে, সার ব্যবসায়ীদের জৈব সার বিক্রির জন্য রাসায়নিক সারের পাশাপাশি জৈব সারের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয় এবং জৈব সারের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়, তাহলে কৃষক এই সার ব্যবহারে আগ্রহী হবেন। তখন সার ব্যবসায়ীরাও এ সার বিক্রি করবেন।
অল্প সময়ের ব্যবধানে উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান সজীবের জৈব সার কারখানাতে ১৫ জন শ্রমিক-কর্মচারীর কর্মসংস্থান হয়েছে। এখানে কাজ করে তারা তাদের জীবিকা নির্বাহ করছেন। এসব শ্রমিকের ভেতরে ১২ পুরুষ ও তিনজন নারী শ্রমিক রয়েছেন।