
(১ বছর আগে) ১৫ নভেম্বর ২০২৪, শুক্রবার, ২:৫৯ অপরাহ্ন
নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউজে দ্বিতীয়বারের মতো প্রবেশ করতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০১৭ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার চেয়ে এবারের পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল। ইউক্রেনে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ চলেছে প্রায় তিন বছর। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল গাজা এবং লেবাননের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত। এ অবস্থায় ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ সহজ হবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মিডল ইস্ট আইয়ের বিশ্লেষক ডেভিড হার্স্টের মতে, ট্রাম্প তার প্রশাসনে এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করছেন যারা মধ্যপ্রাচ্যে কট্টরপন্থি ও আগ্রাসী নীতির জন্য পরিচিত। যদিও নির্বাচনের আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে কোনো যুদ্ধ হতো না। এমনকি বিজয়ের ভাষণে তিনি যুদ্ধ দ্রুত বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু তার বাছাই করা প্রশাসনিক ব্যক্তিত্বদের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প প্রশাসন ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসে, মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করে এবং গোলান মালভূমিতে ইসরাইলি সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়। এসব পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করে। বিশেষত ইরান, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী এবং আরব রাষ্ট্রগুলো এসব সিদ্ধান্তের কড়া বিরোধিতা করে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের কট্টর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে আরও অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। এর ফলে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ, প্রক্সি যুদ্ধ বা দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতার ঝুঁকি বাড়ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রাসী নীতি মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।
মধ্যপ্রাচ্যের টালমাটাল পরিস্থিতি সামাল দেওয়া ট্রাম্পের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে। এখন দেখার বিষয়, তিনি এই সংকট মোকাবিলায় কী নীতি গ্রহণ করেন।