
(১ বছর আগে) ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, বুধবার, ৩:২৬ অপরাহ্ন
সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণির ভর্তির জন্য ডিজিটাল লটারির ফলাফল প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) মেধাতালিকা, প্রথম ও দ্বিতীয় অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
মেধাতালিকায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম আগামী ৬ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যদি আসন ফাঁকা থাকে, তবে প্রথম অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ভর্তি নিতে হবে। এরপরও আসন শূন্য থাকলে দ্বিতীয় অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করে আসন পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাউশির নির্দেশনায় বিভিন্ন এলাকার স্কুলগুলোর জন্য সর্বোচ্চ ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়ন ফি হিসেবে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা নিতে পারবে। তবে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের জন্মসনদের মূল কপি ও অনলাইন কপি যাচাই করতে হবে। মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিও ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হবে। তথ্য সঠিক না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হবে।
কোটা সংক্রান্ত আসন পূরণের ক্ষেত্রে কাগজপত্র যাচাই করে পর্যায়ক্রমে মেধাতালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। কোনোভাবেই ডিজিটাল লটারির বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।
বিধি লঙ্ঘন করে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে বলে জানিয়েছে মাউশি।