
(১ বছর আগে) ৫ জানুয়ারি ২০২৫, রবিবার, ২:২৫ অপরাহ্ন
লেবাননের একাধিক যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াইয়ের পর ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে ২৬ নভেম্বর ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ছিল, তবে এখনো লেবাননের বাসিন্দারা ইসরাইলি আক্রমণ থেকে উত্তরণ পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস (আইসিআরসি)-এর সভাপতি মিরজানা স্পোলজারিক শনিবার লেবানন সফরকালে এই আহ্বান জানিয়েছেন।
মিরজানা বলেন, "বেসামরিকরা যুদ্ধবিরতি বাতিল করার ক্ষমতা রাখে না, এবং যদি তাদের আবার ভারী যুদ্ধের মুখোমুখি করা হয়, তাহলে তা আরও মৃত্যু এবং ধ্বংস ডেকে আনবে।" তিনি আরও বলেন, বাস্তচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য তাদের ঘরে ফিরে যেতে ও তাদের জীবন পুনর্গঠন করার জন্য যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে, এবং হিজবুল্লাহও লাতিনি নদীর উত্তর থেকে তাদের যোদ্ধাদের ফিরিয়ে নেবে। তবে, যুদ্ধবিরতির কার্যকরের একদিন পরই ইসরাইল লেবাননে হামলা চালায়, যা চুক্তির শর্ত ভঙ্গের লক্ষণ।
এদিকে, ইসরাইল এখনও দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহর থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি এবং প্রায় প্রতিদিন বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। হিজবুল্লাহর নতুন প্রধান নাঈম শনিবার জানিয়েছেন, তাদের দল ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব দিতে প্রস্তুত।
লেবাননে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় মানবিক সংকট আরও গভীর হতে পারে, যার ফলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর দাবি আরও জোরালো হয়েছে।