কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সালিশ শেষে ছুরিকাঘাতে শাকিল (২৯) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে সালিশে অংশ নেওয়ার পর এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত শাকিল উপজেলার বিটেশ্বর গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়ার ছেলে।
ঘটনার পর পুলিশ বরকোটা এলাকার জাকির হোসেন নামে একজনকে আটক করেছে বলে জানিয়েছে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী। শাকিলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শনিবার সকালে কুমিল্লা পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চালকের দ্বন্দ্বের জেরে শুক্রবার বিকেলে বিটেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদে সালিশ বৈঠক হয়। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সালিশ পরিচালনা করেন। সালিশে মোটরসাইকেল চালককে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, যার এক হাজার টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধ করা হয়।
চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, “সালিশ শেষে সবাই চলে গেলে সন্ধ্যায় মারামারির খবর পাই। পরে জানতে পারি শাকিল গুরুতর আহত হয়ে গৌরীপুর হাসপাতালে, পরে ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যায়।”
নিহতের ফুফাতো ভাই আকাশ জানান, “শাকিল দরবার শেষে গালাগালির প্রতিবাদ করায় বরকোটা এলাকার কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর ঢাকায় রেফার করলে পথে তার মৃত্যু হয়।”
পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
