ইরান-ইসরাইল চলমান উত্তেজনায় নতুন মোড় নিল। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছে, তারা প্রতিশোধমূলক অভিযানের অংশ হিসেবে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৩’-এর ১৭তম ধাপ সফলভাবে শেষ করে ১৮তম ধাপে প্রবেশ করেছে।
শনিবার আইআরজিসির প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে তারা আত্মঘাতী ড্রোন, যুদ্ধ ড্রোন ও নির্ভুল স্ট্রাইক মিসাইল দিয়ে একযোগে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে শাহেদ-১৩৬ সিরিজের ড্রোন, যা তরল ও কঠিন জ্বালানিতে চালিত হয়।
হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল দখলকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, যার মধ্যে রয়েছে বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সামরিক ঘাঁটি, লজিস্টিক কেন্দ্র এবং ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অপারেশনাল হাব।
আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণে ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে এবং হামলার বেশিরভাগ লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে ধ্বংস হয়েছে। একাধিক ড্রোন স্কোয়াড শুক্রবার রাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে অধিকৃত অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করেছে।
এছাড়া আইআরজিসি জোর দিয়ে জানিয়েছে, এই হাইব্রিড (ড্রোন ও মিসাইল) আক্রমণ পদ্ধতি চলমান থাকবে এবং প্রতিটি ধাপে তারা নির্ধারিত লক্ষ্যপূরণে বদ্ধপরিকর।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইসরাইল কর্তৃক বিনা উস্কানিতে চালানো হামলার জবাবে ইরান প্রতিশোধমূলক এই অভিযান শুরু করে। ২১ জুন পর্যন্ত এই অভিযানে ইরান ১৮টি পৃথক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
