যুক্তরাষ্ট্রের হামলার একদিন পর ইরানে সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ছে।
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, “ইরানের বর্তমান সরকার যদি দেশটিকে আবার মহান করতে অক্ষম হয়, তাহলে সেখানে সরকার পরিবর্তন হবে না কেন?”—এই মন্তব্যে অনেকেই মনে করছেন, তিনি ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।
এদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য অযৌক্তিক অজুহাত তৈরি করছে। তিনি বলেন, “এই আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল।”
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও হরমুজ প্রণালী বন্ধ না করতে ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগে চীনের সহায়তা চেয়েছেন। রুবিওর মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পুরো বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ হুমকির মুখে পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় বিশ্বের যেকোনো অঞ্চলে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উদ্বেগ বেড়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
