রাজবাড়ীর পাংশা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও উপস্থিত কর্মকর্তারা।
রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর পাংশা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের একটি টিম প্রায় ৬ ঘণ্টা অভিযান চালিয়েছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের ফরিদপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। অভিযান শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, “পাংশা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখানে ১২ শতাংশ টাকা নেওয়া হয়, যা সরকারি ফি’র অতিরিক্ত। এছাড়া একজন নকল নবিস পে-অর্ডারের টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং দলিল লেখক আব্দুর রহমান কালুর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর অভিযোগের শতভাগ সত্যতা মিলেছে।”
তিনি আরও বলেন, কিছু বিষয়ে দলিল লেখক সমিতিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ মোমেন মিয়া জানান, “এটা আমার জানা নেই। এটা দলিল লেখকদের কাজ। পে-অর্ডারের বাইরে কোনো টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।” তবে তার বিরুদ্ধে ওয়ারিশ ক্রমিক প্রতি দলিলের জন্য অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা, নামের বানান ভূলের জন্য দলিলপ্রতি ১ হাজার টাকা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমি রেজিস্ট্রি করতেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলেও তিনি তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
