কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন (রিনথি) ও তাঁর মা তাহমিনা বেগমকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করেছে মোবারক হোসেন নামের এক ব্যক্তি। পুলিশ সোমবার রাতে কুমিল্লা রেলস্টেশন এলাকা থেকে পালানোর সময় মোবারককে গ্রেফতার করে।
মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান সংবাদ সম্মেলনে জানান, সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হওয়া সন্দেহভাজন মোবারককে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।
পুলিশ জানায়, মোবারক হোসেন (২৯) পেশায় কবিরাজ এবং স্থানীয় বাবুস সালাম জমিরিয়া মাদরাসার খাদেম। নিহত পরিবারের সঙ্গে তার সখ্যতা ছিল, সে নিয়মিত তাদের বাড়িতে যাতায়াত করত। গত ৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কমলা রঙের একটি শপিং ব্যাগ নিয়ে সে ভাড়া বাসায় প্রবেশ করে। দুপুরে সুমাইয়াকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তার মা তা দেখে ফেলেন। এ সময় তাহমিনা বেগমকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মোবারক। পরে সুমাইয়াকেও গলা টিপে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারের সময় মোবারকের কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ ও চার্জার উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা শহরের কালিয়াজুরীর ভাড়া বাসা থেকে সুমাইয়া ও তাহমিনার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
