মুন্সিগঞ্জে আলুর বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে শুধু কৃষকরাই নয়, পুরো কৃষি খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কৃষকদের ক্ষতির পেছনে কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা গেছে
উৎপাদন খরচ বেশি, বিক্রি মূল্য কম: এক কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হচ্ছে প্রায় ২৭ টাকা। অথচ কৃষকরা হিমাগারের গেটে বিক্রি করছেন মাত্র ১১-১২ টাকায়। এতে প্রতি কেজিতে ১৪-১৬ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।
হিমাগার সংকট: পর্যাপ্ত হিমাগার না থাকায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে কম দামে খোলা বাজারে বা পাইকারদের কাছে আলু বিক্রি করছেন।
মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট: কৃষকের কাছ থেকে কম দামে আলু কিনে মধ্যস্বত্বভোগীরা হিমাগারে মজুত করেন এবং পরে বেশি দামে বিক্রি করে বিপুল লাভ করেন। কৃষক পান না প্রাপ্য দাম।
পরিবহন খরচ: আলু হিমাগার বা বাজারে নিতে গিয়েও কৃষকদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে, যা লোকসান আরও বাড়াচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষকদের বাঁচাতে হলে পর্যাপ্ত হিমাগারের ব্যবস্থা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো এবং উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আলুর ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে কৃষকরা সরকারের কাছে সরাসরি আর্থিক সহায়তা, কৃষি ঋণের সহজলভ্যতা এবং কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
