‘পাখি প্রকৃতির অলংকার ও কৃষকের অকৃত্রিম বন্ধু’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় পাখি শিকার, বেচাকেনা ও পাচার রোধে মাসব্যাপী প্রচারণামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে এ প্রচারণার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসীম। বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত না হলে মানুষের অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। পাখি রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এই সংগঠনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল ইসলাম এবং পৌর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শাহাজাহান।
সংগঠনের সভাপতি ও বড় শলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু বলেন, “চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন জলমহালে স্থানীয় ও পরিযায়ী পাখির অবাধ বিচরণ থাকলেও অসাধু শিকারিরা নিয়মিত পাখি নিধন করছে। কৃষি ও মৎস্য সম্পদের সুরক্ষায় পাখি শিকার বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের সহযোগিতায় এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলবে।
এ সময় সংগঠনের কর্মী নীরব, রিগান, জিসান, সুয়াইবসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সাধারণ মানুষকে পাখি শিকার ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের তথ্য প্রশাসনকে জানিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
