ময়মনসিংহে মাছ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত খাতে প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার কেজি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে, যার বাজারমূল্য চার কোটি ৩৩ লাখ টাকারও বেশি। মাছের রোগ নিরাময়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে সেই মাছ গ্রহণকারী মানুষের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এর পরিণতিতে মানবদেহে নানা জটিল রোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রতিবছর কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
ফিসফিড উৎপাদন ও মাছ চাষে নির্ধারিত নীতিমালার বাইরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সভায় জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে “মৎস্য খাতে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ” শীর্ষক জনসচেতনতামূলক সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
ময়মনসিংহ মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুর রউফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. খালেদ কনক।
সভায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, ফিসফিড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি, হ্যাচারি ও খামার মালিক, মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
