সংগৃহীত
নতুন গভর্নর নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান Centre for Policy Dialogue (সিপিডি)। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দুর্বল ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আর্থিক খাতের সুশাসন ও নীতিনির্ধারণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সিপিডি এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বাছাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাম্প্রতিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সেই মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, গভর্নর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা, সার্চ কমিটি গঠন এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের স্বচ্ছ প্রক্রিয়া থাকা উচিত ছিল। এতে করে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও জোরদার হতো।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হলে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করতে হবে। অন্যথায় নীতিগত সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক প্রভাবের আশঙ্কা থেকেই যায়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংকিং খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে—ঋণখেলাপি সমস্যা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই গভর্নর নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা ও আস্থার প্রশ্নটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
