ভৈরবে ভিজিএফের চাল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত চালের বস্তায় ওজনে কম এবং নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে ভৈরব পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ড ও উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
গত কয়েক দিন ধরে শিমুলকান্দি, শ্রীনগর ও কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়ন পরিষদে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৩০ থেকে ৫০ কেজি ওজনের বেশ কয়েকটি বস্তায় ২ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত চাল কম রয়েছে। এছাড়া কিছু এলাকায় বিতরণের সময় নিম্নমানের চাল পাওয়ার অভিযোগও করেছেন উপকারভোগীরা। এতে ভোক্তাদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার ওবায়দুল হক জানান, কয়েকটি বস্তা মেপে দেখা গেছে ২ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত চাল কম রয়েছে। তবে এসব চাল উপজেলা এলএসডি গোডাউন থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে।
কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লিটন মিয়া বলেন, ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে কয়েকটি বস্তা মেপে ওজনে কম পাওয়া গেছে। তার ইউনিয়নে ২ হাজার ৭০০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রহমান বলেন, ভৈরবে প্রায় ২০ হাজার কার্ডধারীর মাঝে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি চাল কম থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মিলাররা ওজনে কম দিয়েছে কি না সেটিও তদন্ত করা হবে। প্রয়োজন হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি খাদ্য কর্মকর্তা মৌসুমী স্মৃতি সিরাজ জানান, ডিলাররা ৪ থেকে ৫ দিন আগে ডিও লেটারের মাধ্যমে চাল বুঝে নিয়েছে। এখন কেন ওজনে কম হবে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
