সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ তামাবিল স্থল বন্দরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের বিপুল রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। পোর্ট ও কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক সুবিধাভোগী ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, কয়েকটি সিএনএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং) এজেন্টের সহযোগিতায় একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের সদস্যরা পণ্যের ঘোষণাপত্রে কারসাজি করে অতিরিক্ত পণ্য কম দেখিয়ে ছাড় করিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, ৫ টনের ছোট ট্রাকে যেখানে ১৪-১৫ টন এবং ১২ টনের ট্রাকে ২০-২২ টন পর্যন্ত পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে, সেখানে কাগজপত্রে তা কম দেখানো হচ্ছে। এর ফলে সরকার নির্ধারিত হারে রাজস্ব পাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত পণ্যের বিপরীতে অনিয়মিত অর্থ আদায়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাদের দাবি, পোর্ট ও কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রতিবছর কয়েকশ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তামাবিল পোর্টের কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমার জানা নেই।
অন্যদিকে তামাবিল কাস্টমস সুপার শ্রাবানা বলেন, “বিষয়টি আমাদের জানা নেই, তবে আমরা যাচাই করে দেখছি।”
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
