খুলনার খালিশপুরের হাউজিং বাজার এলাকায় সবুজ খাঁ হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।
এ মামলার আসামি নাজমা বেগম অভিযোগ করেন, জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে তাকে কোর্ট চত্বর থেকে তুলে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়।
বুধবার পুলিশ পাহারায় নিজ বাসভবনে ফিরে এসে তিনি দেখেন, তার ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। পরে তিনি পুলিশ কমিশনারের কাছে বিচার প্রার্থনা করলে খালিশপুর থানার একটি টহল গাড়ি তাকে বাসায় পৌঁছে দেয়।
নাজমা বেগম দাবি করেন, তিনি ও তার পরিবার এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি জানান, জেলহাজতে থাকা অবস্থায় তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর সুদের ব্যবসা, পূর্ব শত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের জেরে ডাব ও ভাঙারি ব্যবসায়ী সবুজ খাঁকে হত্যা করা হয়। নিহত সবুজ খাঁর সঙ্গে নাজমা বেগমের সুদের ব্যবসা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এছাড়া পারিবারিক আধিপত্য বিস্তার নিয়েও শালী-দুলাভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল।
এ ঘটনায় সবুজ খাঁর পরিবার নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তোলে।
অভিযোগ রয়েছে, বিরোধের জেরে নাজমা বেগম তার লোকজন দিয়ে সবুজ খাঁর ওপর হামলা চালান। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে নাজমা বেগম তার বাড়িতে লুটপাট হওয়া গহনা, নগদ অর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত আসবাবপত্রের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
