কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় কৃষক সবুজ মিয়ার ফসলই জমির চলাচলের রাস্তায় বন্ধ করে দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি অপু ও হামিদ মিয়ার বিরুদ্ধে। শুধু রাস্তা বন্ধ নয় সবুজ মিয়ার সবজি ও কলাগাছ ও কেটে ফেলেছে। এ ঘটনায় সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভোক্তভোগী সবুজ মিয়া। লিখিত অভিযোগ ও ভোক্তভোগী সবুজ মিয়া ও তার পরিবার জানায়, বীর কাশিম নগর গ্রামের চরের বন এলাকায় ১৭৩ দাগের ২৩২ আর.এস. এর ৪.৫০ শতাংশ জমি ২০২৪ সালে সাফ কবলা দলিলে হামিদ মিয়া (৬৫) এর কাছ থেকে ক্রয় করেন একই এলাকার মোঃ সবুজ মিয়া (৬০)। এর পর থেকে দলিলে উল্লেখ থাকা ব্যবহৃত ৫ ফুট রাস্তাসহ জমি নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছেন সবুজ মিয়া।
সম্প্রতি হামিদ মিয়ার কাছে সবুজ মিয়া ও তার স্ত্রী সুলেখা বেগম জমি বন্ধক নামার টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে বাক বিতন্ডার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে সবুজ মিয়ার ক্রয়কৃত জমির দক্ষিণের জমির মালিক অপু মিয়া (২৮) এর সাথে হামিদ মিয়া যোগ সাজশ করে গত বৃহস্পতিবার সকালে সবুজ মিয়ার জমিতে প্রবেশ করতে যাওয়া রাস্তার কলাগাছসহ জমিতে রোপন করা ১৩টি কলাগাছ, ২টি পেঁপে, ৫টি কুমড়া, ৪টি বরবটি গাছ কেটে ফেলে।
সবুজ মিয়া ও তার স্ত্রী সুলেখা বেগম আরও অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে অপু মিয়া আমাদের বাড়িতে এসে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকী দেয়। আমরা এখন তাদের ভয়ে আতঙ্কিত। সুষ্ঠ বিচার ও জমিতে প্রবেশের রাস্তা ফিরে পেতে আমরা দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছি।
অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হামিদ ও অপু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাইয়ূম বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা দেখছি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
