ঢাকা, ৯ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

অভিযোগের পাহাড় মাথায় নিয়ে বহাল তবিয়তে ওমেদার মনির, ক্ষমতার উৎস নিয়ে প্রশ্ন

সারাদেশ | শামীম হাসান সীমান্ত। আশুলিয়া।

(৪ মাস আগে) ২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৫:৫৭ অপরাহ্ন

banglahour


আশুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ওমেদার বা অফিস সহকারী (পিওন) মোহাম্মদ মনিরের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকার পরও নির্বিগ্ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায়, দলিল জালিয়াতি, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং অফিসে চুরিসহ একাধিক গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগের পরও বহাল তবিয়তে আছেন তিনি। অনৈতিক ভাবে অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ফুটে উঠে তার চলা ফেরায়। তিনি প্রাইভেট কার নিয়ে অফিসে আসেন আবার সে অবস্থা বাসায় ফেরেন।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ছাত্রলীগ কোঠায় চাকরি নিয়ে সরকারের আইনমন্ত্রীর দেয়া ছাত্রলীগ কোঠায় নিয়োগ পায় মনির। এরপর থেকে সাব রেস্ট্রি অফিসের ওমেদার বা অফিস সহকারীরা জেলা রেজিস্ট্রার (ডিআর) ও সাব রেজিস্ট্রারদের নামে দলিল গ্রহিতাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে তার ক্ষমতার উৎস নিয়ে।

জানা যায়, আশুলিায় প্রতিদিন প্রায় তিন শতাধিক দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে। আর এসব দলিলের নানা ভুল ত্রুটির নাম করে ওমেদার মনির নিজের জন্য ও সাব রেজিস্টার ও জেলা রেজিস্ট্রারের নাম করে প্রতিটি দলিল থেকে প্রতিনিয়ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এসব কিছু ম্যানেজ করার জন্য কথিত সংবাদিকদের মাসহারা দিয়ে থাকেন বলে জানা যায়।

তাদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা বিভাগীয় মামলা করেছে। গত ৫ আগস্টের পর এই অনিয়ম দুর্নীতি প্রকাশ্যে বহির্ভূত কাজের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রেশন বিভাগে চলছে। তেজগাঁও সাব রেস্ট্রি অফিসের নকল নবিশ কর্মচারীরা আন্দোলন প্রতিবাদ করলেও জেলা রেজিস্টার মো. জাহিদ হোসেন কোন পদক্ষেপ নেন নি। তিনি অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইন মন্ত্রীর কোঠায় চাকরিপ্রাপ্তদের ব্যাপারে সবকিছু জানার পরও কোন ব্যবস্থা নেননি। এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়নি। তিনি চাকরি করেছেন দায়সারা কাজকর্ম করেছেন, যারা অনিয়ম দুর্নীতি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগক করে ভুক্তভোগিরা জানান, আশুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী মোহাম্মদ মনির এর অবৈধ কর্মকান্ড এবং বিভিন্ন ঘুষ নেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত হলে তাকে সংযুক্ত করা হয় স্বয়ং জেলা রেজিস্টার অফিস ঢাকাতে সংযুক্ত আদেশ দেওয়া হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করে জেলা রেজিস্টার অফিসে যোগদান না করে আর্থিক সুবিধার জন্য ঘুষ লেনদেন করতে আশুলিয়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত আছেন মনির। বিষয়টি জেলার রেজিস্টারের কাছে অভিযোগেও পরেও জেনারেল রেজিস্টার জায়েদ হোসেন কোন ব্যবস্থা নেননি।

তার বিরুদ্ধে রয়েছে  ঘুষ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি অভিযোগ। তিনি দালাল ও স্থানীয় সিন্ডিকেট ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতিটি দলিলে অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ আদায় করেন বলে জানা যায়। এবং তার বিরুদ্ধে নথিপত্র চুরির অভিযোগসহ অফিসে চুরির মতো অপরাধের সাথে তাঁর জড়িত থাকার তথ্য  থাকলেও সে বীরদর্পে তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতো কিছুর পরও তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

 

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭৭৮০০৪৭০০
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
বিশেষ প্রতিনিধিঃ তাহিরুল ইসলাম