ভৈরব থানার আলোচিত মাসুদ মিয়া (৪৫) কে হত্যা ও লাশ গুম করার চেষ্টা মামলার মূল ও পলাতক অভিযুক্ত মোঃ সাব্বির মিয়া (৩২) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল। গ্রেফতার কৃত কে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়,নিহত মাসুদ মিয়া (৪৫) কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থানার মাইজচর শ্যামপুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গ্রেফতারকৃত মূল অভিযুক্ত সাব্বির মিয়া ও তার সহযোগীদের সাথে নিহত মাসুদের দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধ আপোষ-মিমাংসার কথা বলে গত ১৯ জুলাই বিকাল অনুমান ৫ টার দিকে অভিযুক্তরা মাসুদ মিয়ার বাড়িতে যায় এবং তার স্ত্রী মোছাঃ হাছনারা (৩৯) এর সামনে থেকেই তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মাসুদ মিয়া নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পর তার স্ত্রী হাছনারা বাজিতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ও পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ভৈরবে মেঘনা নদীতে পলতাকান্দা হাজী আসমত আলী বেপারী বাড়ির সংলগ্ন পানিতে ভাসমান অবস্থায় মাসুদ মিয়ার বস্তাবন্দী গলিত মরদেহ উদ্ধার করে ভৈরব নৌ- থানা পুলিশ ।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ৮ জুলাই নিহতের স্ত্রী মোছাঃ হাছনারা বেগম বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১১, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। মামলা রুজুর পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির মিয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। অবশেষে র্যাব-১৪ এর গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
