রাজবাড়ীর কালুখালীতে ‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৩ আগষ্ট সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে অনুষ্ঠানে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রসূতি মা ও স্থানীয় সুধীজন অংশ নেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইসরাত জাহান উম্মন। এসময় উপস্থিত ছিলেন গাইনী কনসালটেন্ট ডাঃ নাহিদা ইয়াসমিন, সিনিয়র স্ট্যাফ নার্স শামছুন্নাহার, সিনিয়র স্ট্যাফ নার্স আছিয়া খাতুন প্রমূখ।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইসরাত জাহান উম্মন,বলেন
শিশুর জন্য মায়ের প্রথম দুধ (শালদুধ) শিশুর প্রথম প্রাকৃতিক টিকা হিসেবে কাজ করে। এটি নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, ডায়রিয়া ও স্থূলতার ঝুঁকি কমিয়ে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত স্তন্যপান করালে মায়েদের টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই, গুঁড়ো দুধ বা ফর্মুলা উৎপাদনের প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং প্যাকেজিং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই মাতৃদুগ্ধ পানই সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পথ।
মায়ের দুধ সম্পর্কে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরে বলেন,জন্মের পর মায়ের প্রথম দুধ (শালদুধ) শিশুর জন্য সবচেয়ে উপকারী। অল্প পরিমাণ শালদুধই নবজাতকের প্রয়োজন মেটাতে পারে।
মায়ের দুধ খাওয়ালে মা ও শিশুর মধ্যে ভালোবাসা এবং মানসিক বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
মায়ের দুধ শিশুর হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।মায়ের দুধে থাকা উপকারী উপাদান। যা শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে।জন্মের পরের প্রথম কয়েকেক দিনে শিশুকে বারবার বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের দুধ দ্রুত তৈরি হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
