বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নাম থাকা এবং জুলাই শহীদ দিবসের কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়াকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করে। গত ১৬ জুলাই জেলা জুড়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম এসব কর্মসূচির কোনোটিতেই অংশগ্রহণ করেননি। এমনকি দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভাতেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
একটি সূত্রের দাবি, রফিকুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তৎকালীন সময়ে তিনি সহকারী পরিচালক পদে কিশোরগঞ্জ জেলায় কর্মরত থাকাকালে গঠিত কমিটির তালিকায় ২৭ নম্বর ক্রমিকে সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরিতে যোগদান করেছেন বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “জুলাই শহীদ দিবসের প্রস্তুতি সভা ও মূল অনুষ্ঠানের সময় আমি দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ডিস্টিলারি-সংক্রান্ত একটি সভায় অংশ নিতে ঢাকায় অবস্থান করছিলাম। এ কারণে কর্মসূচিগুলোতে উপস্থিত থাকতে পারিনি।”
বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তার নাম থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, “এ কমিটি নিয়ে আমাদের একটি বিভাগীয় তদন্ত হয়েছে।” তবে নেতৃত্ব পর্যায়ে তার সম্পৃক্ততা বা পদধারণের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিকভাবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
