চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করার দাবিতে ৮ দফা দাবি উত্থাপন করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মানববন্ধন কর্মসূচি বিকাল ৫টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা সোয়া ৬টা পর্যন্ত চলে। এ কর্মসূচিতে দামুড়হুদা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও জয়রামপুর গ্রামবাসী অংশগ্রহণ করে।
জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এসব দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনে খুলনা হতে রাজশাহীগামী আন্তঃনগর সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি, স্টেশন মাস্টারসহ স্টেশনের প্রয়োজনীয় লোকবল পুনর্বহাল, লুফ লাইন চালু করা, টিকিটিং ব্যবস্থা চালু, স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম আধুনিকীকরণ, অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত স্টেশনের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত হওয়ায় একই নকশায় নতুন করে হলঘর নির্মাণ, পোড়াদহ-গোয়ালন্দঘাট রুটে চলাচলকারী শাটল ট্রেনটি দর্শনা পর্যন্ত বর্ধিত করা, লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি লোকাল ট্রেনের বগি সংখ্যা বাড়ানো ও নতুন সংযোজন পরিকল্পনায় দর্শনা-চুয়াডাঙ্গা রুটের সকল ট্রেনকে জয়রামপুর স্টেশনকে রুটের অন্তর্ভুক্ত রেখে জয়রামপুর স্টেশনে স্টপেজ দেয়া।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ৮দফা দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ৫ মিনিট থামিয়ে মানববন্ধনকারীরা ৮ দফা দাবি পেশ করেন। এসময় আন্দোলনকারীরা রেল ককর্তৃপক্ষের আশ্বাস পেয়ে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ট্রেনটিকে আবার ছেড়ে দেয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী ও সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী, স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নাগরিক পিয়ার আলী, দামুড়হুদা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মমিনুল ইসলাম, ডাবলু, সাবেক সেনা সদস্য লাজিব আক্তার সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
