ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ইষ্টালোচনা এবং নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে রাঙ্গামাটিতে পরম প্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৯তম শুভ আবির্ভাব তিথি উদযাপিত হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাঙ্গামাটি আসামবস্তী সৎ সংঘ আশ্রমে দিনব্যাপী এই মহোৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শত শত ভক্ত ও অনুসারী অংশ নেন।
সকালে আশ্রম প্রাঙ্গণে সমবেত প্রার্থনা ও ইষ্টালোচনার মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। পরে আসামবস্তী সৎ সংঘ আশ্রমের সভাপতি অনুপ কুমার দত্তের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ সদস্য ফারুক আহমেদ সাব্বির এবং নন্দিতা দাশ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটি আসামবস্তী সৎ সংঘ আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার দে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার বলেন, “শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সবসময় মানবপ্রেম, সততা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির শিক্ষা দিয়েছেন। বর্তমান অশান্ত ও বৈচিত্র্যময় সময়ে তাঁর আদর্শ সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করতে পারে।” সমাজে নৈতিকতা বজায় রাখতে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করে দেশে কোন সংখ্যালঘু নেই, আমরা সকলেই বাংলাদেশে। এই বাংলাদেশকে সকল জাতি ধর্ম বর্ণের মানুষের মিলন মেলায় পরিণত করে একটি রংধুনু ছাতার নিচে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই একটি সুন্দর বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারবো।
আলোচনা সভা শেষে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লীলা কীর্তন। লীলা কীর্ত্তন পরিবেশন করেন, পরম প্রেমময় অমল দাশ, যার সুরের মূর্ছনায় পুরো আশ্রম প্রাঙ্গণ এক ভক্তিময় ও আধ্যাত্মিক পরিবেশে পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আশ্রমে সমাগত সকল ভক্ত ও অতিথিদের মাঝে মহা প্রসাদ বিতরণ করা হয়। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই মহোৎসব সম্পন্ন হওয়ায় আশ্রম কমিটি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
