সিলেটের ওসমানীনগরে এক যুবককে মারধর করে নগদ এক লাখ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর কচুরিপানার নিচে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের সৈয়দ মান্দারুকা (গুচ্ছগ্রাম) এলাকায় সাকিস্থ ইটখোলার সামনের সড়কসংলগ্ন একটি সরকারি ডোবার পাশে ঘটনাটি ঘটে।
অভিযোগকারী ছালেহ আহমদ জানান, তার ভাতিজা ইমাদ আলী গরু কেনার জন্য নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে দয়ামীর ইউনিয়নের রাইগদারা গ্রাম থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মিনার মিয়া, আফজল মিয়া, রিপন মিয়া ও ছইফ উদ্দিনসহ কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে পাশের ডোবায় কচুরিপানার নিচে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওয়াহিদ মিয়া নামে এক যুবক ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে তিনি স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানালে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে কচুরিপানার নিচ থেকে ইমাদ আলীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বালাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে পাঠান।
লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তরা অভিযোগকারী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ ও লাশ গুমের হুমকি দিয়েছেন। এ কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে অভিযোগে নাম থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
