নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইইউবি) এ যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার ৭ নভেম্বর সকালে ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ^বিদ্যালয়ের ভারপাপ্ত উপাচার্য স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ শামসুল কবির।
এ সময় বিশ্বদ্যিালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী।
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর নগরীর শেখঘাট ক্যাম্পাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ^বিদ্যালয়ের ভারপাপ্ত উপাচার্য স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ শামসুল কবির। ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নূর জাহান কাকলীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, এনইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. লিয়াকত আলী শাহ ফরিদী, পরিচালক (অর্থ) অশোক রঞ্জন চৌধুরী, ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা ও সিএসই বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক রথীন্দ্র চন্দ্র গোপ ও লাইব্রেরিয়ান জিলুন নাহার চৌধুরী প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক দিনেই বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)। সিপাহি-জনতার সেই স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লব জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে এবং তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এক শক্তিশালী সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শক্তি পায়। এই দিনটি কেবল একটি বিশেষ রাজনৈতিক পটপরিবর্তন নয়, বরং এটি আমাদের বহুদলীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার সূচনালগ্ন।
আজকের এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে এবং সেইসব বীর সিপাহি ও জনতাকে, যারা দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
