ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে গত জুলাই ও আগস্ট মাসের শুরুতে দেশজুড়ে সংঘটিত নৃশংসতার ঘটনাগুলো তদন্তের জন্য আগামী সপ্তাহে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাবে জাতিসংঘ। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর এই প্রথম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্তে বাংলাদেশে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন পাঠাচ্ছে জাতিসংঘ।
বুধবার (১৪ আগস্ট) বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনার পরে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। এ সময় প্রফেসর ইউনূস দেশের পুনর্গঠন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন এবং বিক্ষোভকারীদের নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ডের সময় শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য ভলকার তুর্ক এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনালাপের সময় জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন এবং এই ক্রান্তিলগ্নে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দেওয়ার কথাও বলেন।
ভলকার তুর্ক বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবাধিকারকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি (সরকারের) এই রূপান্তরকে সফল করবে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।
ছাত্রজনতার গণআন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকার পতনের সময় এবং তার পরবর্তী সময়ে দেশব্যাপী ব্যাপক সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ প্রকাশের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ এ পদক্ষেপ নিচ্ছে জাতিসংঘ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
