পাবনা: ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি পুলিশ কর্তৃক ‘আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ’ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
চলতি বছরের ৬ সেপ্টেম্বর জুলফিকার আলী নামে এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে ভাঙ্গুড়া থানায় মামলা দায়ের হয়, যেখানে ২৫ জন নাম উল্লেখ এবং ৪০-৫০ জন অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এ মামলায় তিনজনকে আটক করেছে, কিন্তু তারা জামিনে মুক্ত আছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিদের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তির বিনিময়ে অর্থ দাবি করা হচ্ছে, যা মধ্যস্থতা করছেন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী রকিবুল ইসলাম বাবুল। তিনি পুলিশের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের জন্য আটকদের পরিবারকে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে টাকা দিতে বলেছিলেন, নাহলে তাদের বিরুদ্ধে পাবনার ৪ আগস্টের গোলাগুলির ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় চালান দেওয়ার হুমকি দেয়া হয়।
এছাড়া, পুলিশের কাছে থাকা তালিকা অনুযায়ী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও আটক করা হতে পারে বলে অভিযোগ রয়েছে। ডিজিএফআই থেকে ১৬ জনের তালিকা পাঠানোর খবরও রয়েছে।
জানতে চাইলে, আলোচিত ব্যবসায়ী বাবুল বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যক্ষ সাইদুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর তিনি থানায় যান, তবে পুলিশের কাছে টাকা প্রদানের বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন।
ভাঙ্গুড়া থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল করিম বলেন, “এটি পুলিশের সুনাম নষ্ট করার জন্য গুজব।” তিনি জানান, এজাহারনামীয় ২৫ আসামি ও আটক হওয়া ব্যক্তিরা জামিনে মুক্ত এবং থানার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।
স্থানীয় জনগণের মাঝে এই মামলার কারণে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, এবং থানার কর্মকর্তাদের কাছে আরও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠেছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
