কিশোরগঞ্জে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা ছয়টি আসনে সক্রিয় গণসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর):
বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. রেজাউল করিম খান চুন্নু, মাজহারুল ইসলাম, খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, এবং হাজি ইসরাইল মিয়া।
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া):
মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন, আশফাক আহমেদ জুন, রুহুল হোসাইন আখিল এবং শহীদুজ্জামান কাকন।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল):
ড. এম ওসমান ফারুক বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস এবং জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাও কাজ করছেন।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম):
বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, যিনি এবারে বাধাহীন পরিবেশে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী):
বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এবং এহসান কুফিয়া। জামায়াতে ইসলামী এই আসনে অধ্যাপক রমজান আলীকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর):
কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম মনোনয়নপ্রত্যাশী। তিনি জেলা জুড়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করছেন। কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম জানিয়েছেন, সাংগঠনিকভাবে বিএনপি এখন আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীও তাদের প্রার্থীদের নিয়ে সক্রিয় প্রচারণায় রয়েছে।
১৯৯১ সালের নির্বাচনে কিশোরগঞ্জে বিএনপি পাঁচটি আসনে জয়লাভ করলেও পরবর্তী সময়ে দলটি প্রতিটি নির্বাচনে বিভিন্ন সংখ্যক আসন হারিয়েছে। এবারও তারা সব আসনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
