ঢাকা: খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন এবং ইংরেজি ক্যালেন্ডারের শেষ দিন থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। উন্মুক্ত স্থানে আতশবাজি, পটকা ফোটানো এবং ফানুস ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
বড়দিন উদযাপনে বিশেষ ব্যবস্থা
ডিএমপি কমিশনার জানান, বড়দিন উপলক্ষে প্রতিটি চার্চে আর্চওয়ে দিয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে হবে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ও ম্যানুয়ালি তল্লাশি করা হবে। চার্চ এলাকাগুলো ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে এবং থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে এবং ভাসমান দোকান বা হকার বসতে দেওয়া হবে না। চার্চে কোনো প্রকার ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
থার্টি ফার্স্ট নাইটে কড়াকড়ি
থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে ঢাকায় উন্মুক্ত স্থানে আতশবাজি, পটকা ফোটানো এবং ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আইডি কার্ড ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না। গুলশান, হাতিরঝিল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকবে।
নিরাপত্তা তৎপরতা ও নজরদারি
ডিএমপি জানায়, উভয় উৎসব উপলক্ষে নিয়মিত টহল, চেকপোস্ট এবং পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হবে। গুজব ও অপপ্রচার রোধে সাইবার পেট্রোলিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং করা হবে।
উল্লেখ্য, বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর এবং থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
