মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে প্রযুক্তি ধনকুবের ইলন মাস্ক ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে তিক্ত বাকযুদ্ধে। এক সময়ের ঘনিষ্ঠ এই দুই মিত্র এখন একে অপরের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন প্রকাশ্যে।
মালয়েশিয়ান ডানপন্থী লেখক ইয়ান মাইলস চিওং সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ট্রাম্পকে অভিশংসনের আহ্বান জানিয়ে লিখেন, "প্রেসিডেন্ট বনাম ইলন। কে জিতবে? আমি বাজি ধরছি, ইলনের পক্ষে।" সেই পোস্টে ‘হ্যাঁ’ মন্তব্য করে ইলন মাস্ক তার অবস্থান স্পষ্ট করেন।
ওভাল অফিসে জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, তিনি মাস্কের ওপর “ভীষণ হতাশ”। তার জবাবে মাস্ক এক্স-এ লেখেন, "ট্রাম্প অকৃতজ্ঞ", এবং দাবি করেন, ট্রাম্পের নির্বাচনী জয়ে তার বড় ভূমিকা ছিল।
এছাড়া মাস্ক বিস্ফোরক দাবি করে বলেন, ট্রাম্প যৌন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এবং সে সম্পর্কের তথ্য এখনো গোপন রাখা হয়েছে। তিনি লেখেন, “এই পোস্টটি মনে রাখুন। সত্য একদিন প্রকাশ পাবে।”
এ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, “ইলনের মন্তব্য দুঃখজনক। তিনি ঐতিহাসিক ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ নিয়ে অসন্তুষ্ট, কারণ এতে তার চাওয়া নীতিমালা নেই।”
অন্যদিকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্টিভ বেনন দাবি করেন, “স্পেসএক্সকে রাত ১২টার মধ্যেই সিজ করা উচিত”, কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে বিপুল অর্থ পাচ্ছে।
টেক জায়ান্ট ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের এই সংঘর্ষ কোথায় গিয়ে থামবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এখনই স্পষ্ট—ইলন মাস্ক ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্কের ‘ব্রেকআপ’ ড্রামা আমেরিকান রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় লিখছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
