২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.০৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে। এ জমিতে চাষাবাদের জন্য প্রয়োজন হবে ৫ থেকে ৬ হাজার টন পাটবীজ।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) আয়োজিত “বার্ষিক অভ্যন্তরীণ গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা-২০২৫–এ এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, “পাটের সম্ভাবনা কখনো শেষ হবে না। গবেষণার গণ্ডি বাড়াতে হবে এবং বাস্তবতার নিরীক্ষে বাজারমুখী গবেষণার দিকে নজর দিতে হবে।” তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশ পরিবেশগত সীমাবদ্ধতার কারণে পাট উৎপাদন করতে না পারলেও বাংলাদেশ এ দিক থেকে সৌভাগ্যবান। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরকেও এগিয়ে যেতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে বিজেআরআই-এর মহাপরিচালক ড. নার্গীস আক্তার বলেন, “পাট কেবল অর্থকরী ফসল নয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ। সূচনালগ্ন থেকে বিজেআরআই ৫৭টি পাট জাত, ২২৩টি কৃষি প্রযুক্তি ও ৬৯টি শিল্প ও কারিগরি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
তিনি আরও জানান, দেশে বছরে প্রায় ১৫ লক্ষ মে. টন পাট, ৩০ লক্ষ মে. টন পাটকাঠি এবং ৬ লক্ষ মে. টন চারকোল উৎপাদিত হয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০টি চারকোল কারখানা রয়েছে, যার মধ্যে কিছু বন্ধ রয়েছে। চারকোল রপ্তানিতে সরকার ২০% নগদ প্রণোদনা দিয়ে আসছে।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবু জুবাইর হোসেন বাবলু,
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম,
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজেআরআই-এর প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম মোস্তফা,
এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিনোম গবেষণা কেন্দ্রের সমন্বয়ক ড. এস. এম. মাহবুব আলী।
কর্মশালায় কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও কৃষক প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
