গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিরাজ করছে বৈরী আবহাওয়া। এতে করে পটুয়াখালীসহ আশপাশের এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরেই টানা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২১৫.১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস, যা চলতি বর্ষা মৌসুমের একটি রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত। পানিবন্দি শহর ও গ্রামাঞ্চল: টানা বৃষ্টিতে পটুয়াখালী পৌর শহরের সবুজবাগ, নতুন বাজার, তিতাস মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ডুবে গেছে শহরের প্রধান সড়ক ও গলিপথগুলো। গ্রামাঞ্চলেও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বহু মাছের ঘের, চাষের পুকুর এবং রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। উত্তাল সমুদ্র ও সতর্কতা: এদিকে, কুয়াকাটা উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বর্তমানে বেশ উত্তাল। বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে উপকূলীয় এলাকা জুড়ে।পটুয়াখালীর পায়রাসহ দেশের সকল সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে নদীবন্দরগুলোতেও ১ নম্বর সতর্ক সংকেত: পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কায় মঙ্গলবার দুপুর ১টা পর্যন্ত ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। জনসচেতনতা জরুরি:
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের বৃষ্টিপাত ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া চলতি সপ্তাহে আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। উপকূলীয় বাসিন্দাদের সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
