কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে সাগরে গোসলে নেমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুই শিক্ষার্থী। মারা যাওয়া শিক্ষার্থীর নাম কে এম সাদমান রহমান সাবাব। তিনি ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা এবং কে এম আনিছুর রহমানের ছেলে। নিখোঁজ দুইজন হলেন অরিত্র হাসান ও আসিফ আহমেদ দুজনেই বগুড়ার বাসিন্দা। তিনজনই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী এবং শহীদ মো. ফরহাদ হোসেন হলে অবস্থান করতেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে চারজন শিক্ষার্থী নিজেদের উদ্যোগে কক্সবাজারে ভ্রমণে যান। মঙ্গলবার সকালে হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে তিনজন পানিতে তলিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয় জেলেরা সাবাবের মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) গাজী আতাউর রহমান বলেন,আমরা ঘটনাস্থলে আছি। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। চবির সহকারী প্রক্টর ও ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. সাঈদ বিন কামাল চৌধুরী জানান,নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবারের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সচেতনতা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। উদ্ধার অভিযান চলছে, নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের দ্রুত খুঁজে পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তাদের পরিবার ও সহপাঠীরা।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
