বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন বহালের দাবিতে জেলাজুড়ে পালিত হচ্ছে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল। সোমবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত। হরতালের কারণে জেলার সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, দোকানপাট, যানবাহন ও নদী পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
ভোর থেকেই মোংলা-খুলনা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে টায়ার জ্বালিয়ে ও ব্যারিকেড দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। এ সময় জেলা বিএনপির সমন্বয়ক এম.এ. সালামের নেতৃত্বে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা জেলা কোর্ট এলাকা, নির্বাচন অফিস, নওয়াপাড়া মোড় ও কাটাখালী মোড়ে অবস্থান নেন।
হরতালের অংশ হিসেবে সকালে বাগেরহাট জেলা নির্বাচন অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।
জেলা বিএনপির সমন্বয়ক ও সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির কো-কনভেনর এম.এ. সালাম বলেন,
আমরা ৪টি আসন বহালের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপত্তি জানালেও ইসি তা অগ্রাহ্য করে ৩টি আসন রেখে গেজেট প্রকাশ করেছে। আমরা সেই গেজেট প্রত্যাখ্যান করছি। যদি আমাদের ৪টি আসন ফেরত না দেওয়া হয়, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
তিনি আরও দাবি করেন, আজকের হরতালে বাগেরহাট জেলা সারাদেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই ইসি বাগেরহাট জেলার চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন বাদ দিয়ে গাজীপুরে নতুন একটি আসন বাড়ানোর প্রস্তাব প্রকাশ করে। এ নিয়ে বাগেরহাটবাসী লিখিত আপত্তি জানালেও, ৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেটে আসন বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। এর প্রতিবাদে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি আজকের হরতাল-অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
