কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী প্রদত্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের একভাগের (১২.৫ শতাংশ) কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এসব প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হন।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন— জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. আফজাল হোসেন ভূঁইয়া (লাঙ্গল), প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ১১৩; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. আবুল বাসার রেজওয়ান (হাতপাখা), প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৫৬৬; গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম (ট্রাক), প্রাপ্ত ভোট ৩৯৫; বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. বিল্লাল হোসেন (টেলিভিশন), প্রাপ্ত ভোট ২২২; স্বতন্ত্র প্রার্থী নূর উদ্দীন আহমেদ (মোটরসাইকেল), প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৩১৩; এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান খোকন (ময়ূর), প্রাপ্ত ভোট ৩৬৩।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩২ হাজার ৫১৬ জন। কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার ১৭১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোট দেন ২ লাখ ৮০ হাজার ১১ জন ভোটার। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭২ হাজার ৬১৬ এবং বাতিল ভোট ৭ হাজার ৩৯৫। প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৫২.৫৮ শতাংশ।
এ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম মোড়লকে ২২ হাজার ৬৯৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৬৯ ভোট। অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শফিকুল ইসলাম মোড়ল পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯৯৭ ভোট।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
