স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৭টার সময় আরিফ বাড়ির পাশের ঘরে যাওয়ার পর আর বাড়িতে ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান মেলেনি। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে পার্শ্ববর্তী খাল থেকে তার হত্যার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার পর আরিফের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা মোশাররফ (২৬) নামে প্রতিবেশীকে সন্দেহ করে। জিজ্ঞাসাবাদে মোশাররফ হত্যার কথা স্বীকার করে বলেন, “আমি আরিফকে লাথি মেরে হত্যা করেছি। পরে লাশ খালে ফেলে দিয়েছি।”
মৃত্যু হওয়া শিশুর লাশ হিজলা থানা পুলিশ উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
আরিফের মা জানান, “গতকাল আমার ছেলে পাশের ঘরে গিয়েছিল। রাত অনেক হয়ে গেলে বাসায় না আসায় আমরা জানতে চাইলে তারা মিথ্যা বলেছিল। সকালে লাশ খালে পাওয়া গেলে স্থানীয় মানুষের চাপে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
