বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় নির্বাচন পরবর্তী বিরোধের কারণে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মা ও ছেলে রয়েছেন। আহতরা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
রবিবার রাতে রত্নপুর ইউনিয়নের মোহনকাঠী-রত্নপুর সড়কের পাশে চৈতন্য সরকার (ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক, ৩ নং ওয়ার্ড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক) অবস্থান করছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল ইসলাম বাহার তাকে দোকান থেকে ডেকে আনেন। পরে বাহারের সহযোগি ও ফুটবল প্রতীকের সমর্থক বিধান বৈরাগী তাকে মারধর করেন।
চৈতন্য সরকারকে উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর:
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিএনপির নেতারা চৈতন্য সরকারের বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা জানান।
সেখানে রত্নপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফাইজুল ইসলাম গালিগালাজ শুরু করলে বাদল বালীর সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে সৈয়দ ফাইজুল ইসলাম ও তার মা ডালিয়া বেগম আহত হন।
আহত মা ও ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দলীয় পক্ষের বক্তব্য:
অভিযুক্ত বিধান বৈরাগী ও বাদল বালী হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক বাহার বলেন, তিনি চৈতন্য সরকারকে ডেকেছিলেন, তবে মারধরের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক সিকদার হাফিজুল ইসলাম বলেন, হামলা ফুটবল প্রতীকের সমর্থকদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে।
পুলিশের মন্তব্য:
আগৈলঝাড়া থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
দুইপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
