ঝিনাইদহে বাসে অগ্নিসংযোগ ও তেল পাম্পে ভাঙচুরের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতাকর্মীকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করেছে। তাদেরকে পৃথক দুটি মামলায় গ্রেফতার করে সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পাশে তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সদস্য ফারদিন আহমেদ নিরবকে ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা মারধর করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।
ঘটনার জের ধরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে আন্দোলনের নেতাকর্মীরা তাজ ফিলিং স্টেশন ও আরাপপুর সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এছাড়া কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মো. সাইফ নোমান ও শামসুল কবির মিলন পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।
রোববার মধ্যরাতে আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— আবু হাসনাত তানাঈম, সাইদুর রহমান, আশিকুর রহমান জীবন, এজাজ আহমেদ অন্তর, তাশদীদ হাসান, রাসেল হুসাইন ও হুমায়ুন কবির।
আটকরা অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তাদের আটক করার পর নির্যাতন করেছে এবং মামলা সাজানো হয়েছে। তারা বলেন, “তেল পাম্পে ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের সময় আমরা থানায় উপস্থিত ছিলাম। আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে সোমবার সাংবাদিকদের প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, যা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করছে। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করবে।
উল্লেখ্য, তাজ ফিলিং স্টেশন ও সৃজনী ফিলিং স্টেশনের মালিক হারুণ অর রশিদ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
