বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নববধূ-জামাইসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মোংলা পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে বেলাই ব্রিজ এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে আবদুর রাজ্জাকের ছেলে, মেয়ে, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি ও অন্যান্য স্বজন রয়েছেন।
এছাড়া মাইক্রোবাসটির চালকও নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবদুর রাজ্জাক তাঁর ছেলে সাব্বিরের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি পরিবারের সাত সদস্য ও কয়েকজন আত্মীয়কে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে সেখানে যান। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে বিকেলে বেলাই ব্রিজ এলাকায় একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
মোংলা পোর্ট বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম রাতে বলেন, “ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক তাঁর ছেলে সাব্বিরকে খুলনার কয়রা উপজেলায় বিয়ে দেন। সেখান থেকে ফেরার পথে বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানতে পেরেছি।
এ ঘটনায় বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি বিএনপি নেতা আবদুর রাজ্জাক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।
একই পরিবারের এতজনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
