খুলনা প্রেস ক্লাবের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, একদল দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে ওই প্রার্থীর ওপর হামলা চালায়। হামলার পেছনে নির্বাচনকে প্রভাবিত বা বানচাল করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ একদল ব্যক্তি এসে প্রার্থীর ওপর চড়াও হয় এবং তাকে মারধরের চেষ্টা করে। এতে ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়।
ভুক্তভোগী প্রার্থী বলেন,
“এটি শুধু আমার ওপর হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর আঘাত। একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন ঠেকাতে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে খুলনা প্রেস ক্লাবের সদস্যরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সাংবাদিক সমাজের অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
এ ঘটনায় অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। তারা ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
