হাম আক্রান্ত হয়ে সিলেট এ এখন পর্যন্ত মৃত্যু ২২ জনের। যার বেশির ভাগ আমার কর্মস্থল হাম picu, সিলেট ওসমানী মেডিকেল এ।
হাম এর সাথে নিউমোনিয়া ও নানা জটিলতায় এই বাচ্চাগুলোর শ্বাস নিতে না পেরে যখন ছটফট করতে থাকে, সে দৃশ্য দেখে সহ্য করা কঠিন, এদের বাঁচাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করা ডাক্তার, নার্সদের ও অনেক কষ্ট হয়, চোখে জল আসে, তা দেখা যায় না।
এই রোগীগুলো কেউই হামের টিকা দেয় নি। বিগত ২ বছর হাম টিকা না দেয়ার ফল ভোগ করছে বাংলাদেশ।
হামের রোগী ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে... একমাত্র টীকা দেয়া ছাড়া এটার বিস্তার রোধে আপাতত আর কোনো বিকল্প নেই।
বর্তমান সরকার এই মহামারী মোকাবিলা করার জন্য টিকার ব্যবস্থা করেছে। অথচ অনেকের মধ্যে এখনো এটা নিয়ে অনীহা দেখা যাচ্ছে!
মনে রাখবেন সরকারের এই প্রচেষ্টা সত্যেও আপনার অবহেলায় টিকা না দিয়ে যদি হামে শিশু মারা যায়, এর দায় আপনার।
এখনো সময় আছে ১০ তারিখ পর্যন্ত সবখানে, ২০ তারিখ পর্যন্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশন এ টিকা দেয়া হবে। দেরি না করে কাজটি সেরে ফেলুন। বেশি বুঝে বা না বুঝে নিজ বাচ্চার খুনী হবেন না।
৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সকল শিশুকে টিকা দিন, শুধু নিজের পরিবারের নয়, আত্মীয়, প্রতিবেশী কেউ না দিয়ে থাকলে তাদেরকে বোঝান।
বিগত ২৮ দিনের মাঝে হামের টিকা না দেয়া হয়ে থাকলে তাদের সবাইকে টিকা দিতে হবে। আগে ২ টা বা ১ টা টিকা দেয়া থাকলেও টিকা দিতে হবে।
সকলে মিলে আসুন আমাদের ফুলগুলো কে অকালে ঝড়ে যাওয়া থেকে বাঁচাই।
(লিখনী ডা: হেদায়েত হোসেন সারোয়ার, শিশু বিভাগ, সিওমেকহা)

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
