মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও কর্মসংস্থানমুখী করতে দেশের অব্যবহৃত পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও অন্যান্য জলাশয় সংস্কার করে তরুণদের মধ্যে বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করে স্থানীয় তরুণদের মাধ্যমে মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার(১৬ আগষ্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও অন্যান্য জলাশয় কাজে লাগিয়ে কিংবা অল্প জমিতে মাছ চাষের মাধ্যমে মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার বড় সুযোগ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক জলাশয় পড়ে আছে। সরকার এসব জলাশয় সংস্কার করে সেখানে মাছের পোনা ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘যে পুকুরগুলো, যে হাওর-বিলগুলো, জলাশয়গুলো যে এলাকায় হবে, সেই এলাকার তরুণ যাঁরা আছেন, তাঁদের মধ্যে সুন্দরভাবে আমরা এটা বণ্টন করতে চাই, যাতে করে তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।’ এ বিষয়ে মৎস্য মন্ত্রণালয়ে এরই মধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৎস্য খাত দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। মাছ চাষ, আহরণ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিক্রির সঙ্গে বহু মানুষ যুক্ত। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় বাড়াতেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনসহ মৎস্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, মৎস্যচাষি, জেলে, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন। পরে মৎস্য খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৩টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণপদক) তুলে দেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
