সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি জায়গায় গিয়েছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক ফারাহ খান। সেখানে তাঁকে দেখে ছবি তুলতে এগিয়ে আসেন পাপারাজ্জিরা। ফারাহ খান তাঁদের প্রশ্ন করেন, “এখানে কেন এসেছেন ?” তখন তারা জানান, তাঁরা ফারাহেরই ছবি তুলতে এসেছেন। তাঁদের কথা শুনে বিরক্তির ভঙ্গিতে তাকান ফারাহ। এর পরে পিছন ফিরে তাঁদের স্পষ্ট বলে দেন, যেন কোনও ভাবেই পিছন দিক থেকে তাঁর ছবি তোলা না হয়।
ফারাহ খান বলেন, “সালমন ভাইতো বলেই দিয়েছে, পিছন থেকে ছবি তোলা যাবে না। ক্যামেরা ঘুরিয়ে নাও, এখনই ঘুরিয়ে নাও।”
উল্লেখ্য, পাপারাজ্জিদের সাথে সালমানের সম্প্রতি খানিক মনোমালিন্য হয়েছিল। ‘বিগ বস্’-এর মঞ্চে তাঁদের আচরণ নিয়ে সরব হওয়ার পরে মঙ্গলবার রাতে একটি রেকর্ডিং স্টুডিওতে দেখা যায় অভিনেতাকে। সেখানে ছবি তোলার অনুরোধ করেন পাপারাজ্জিরা। তাঁদের অনুরোধ মেনে ছবি তোলেন সালমান।
সাধারণত তারকাদের ছবি তোলার সময়ে পাপারাজ্জিদের মুখে জোরে তারকাদের নাম ধরে ডাকার প্রবনতা দেখা যায়। কিন্তু সে দিন সালমানের সঙ্গে তাঁদের আচরণ ছিল অনেকটাই শান্ত। ছবি তোলার পর তাঁকে ধন্যবাদও জানান তাঁরা। চলচ্চিত্রের ভাইজান খ্যাত সালমান ছবি তোলেন ঠিকই কিন্তু তাঁর দৃষ্টি ছিল তীক্ষ্ণ। তাঁর দৃষ্টিই যেন আরও এক বার তাঁর হুঁশিয়ারির কথা মনে করিয়ে দেয়। যার ফলে এক গুরুগম্ভীর পরিবেশ তৈরি হয়।
‘বিগ বস্ ২০’-র একটি পর্বে পিছন দিক থেকে অভিনেত্রীদের ছবি তোলার প্রবণতা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন সালমান। তিনি বলেন, “পিছন থেকে যে ছবিটা তোলা হয়, সেটা তো কোনও অভিনেত্রীই পছন্দ করেন না। হয়তো কয়েক জন বলেন, তাঁদের আপত্তি নেই। কিন্তু যাদের আপত্তি রয়েছে, তাঁদের কথা কী ভাবে রাখা হবে?” কড়া ভাষায় তাদের সতর্ক করেন সালমান। তিনি বলেন, “এমন হলে ঘুরে গিয়ে ওদের চড় মারুন। বলুন, নিজের মা বা বোনের এমন ছবি তুলতে এবং সেটা আপনাকে দেখাতে। কী জঘন্য ওদের মানসিকতা! প্রতিটি অনুষ্ঠানে ওরা একই কাজ করে।”
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা অবলম্বনে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
