ঢাকা, ৭ নভেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

কারখানাসহ বিভিন্ন সেক্টরে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির হাত বদল

অপরাধ | অনলাইন ডেস্ক

(২ বছর আগে) ৩১ আগস্ট ২০২৪, শনিবার, ৮:৩২ অপরাহ্ন

banglahour

সরকার পরির্বতনের পর নারায়ণগঞ্জে শিল্প-কারখানাসহ বিভিন্ন সেক্টরে ঝুট সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির হাত বদল হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থকতে তাদের দলীয় সন্ত্রাসীরা শিল্প-কারখানাগুলোতে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে চাঁদাবাজি করত। তাদের পতনের পর এবার বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে নব্য সন্ত্রাসীরা এসব শিল্প-কারখানাগুলো দখল ও চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ এই অঞ্চলের শিল্প-কারখানার মালিকদের।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা বিসিকে প্রায় ৫০০ তৈরি পোশাক ও নিটিং কারখানা রয়েছে। এসব কারখানার ঝুট কাপড়, সুতার কোন, কার্টুনসহ বিভিন্ন ওয়েস্টেজ পণ্যের ব্যবসা এত দিন নিয়ন্ত্রণ করতেন শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান ও ভাতিজা আজমীর ওসমান। ব্যবসায়ীদের দাবি, তাদের নামে কিছু লোক ঝুটসহ অন্যান্য পণ্য কারখানা থেকে বিনা মূল্যে বা নামমাত্র দামে নিয়ে যেতেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির নেতাদের নামে কিছু লোক ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তারা মোটরসাইকেল নিয়ে নিয়মিত মহড়াও দিচ্ছেন। 

ফতুল্লা বিসিকের এক ব্যবসায়ী জানান, মাসে ১০ থেকে ১৫ লাখ ডলারের রপ্তানি আছে এমন একটি মাঝারি পোশাক কারখানায় ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার ঝুট ব্যবসা হয়। এসব ঝুটের দাম বাজারে কেজিপ্রতি ৪০ টাকা হলেও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের বিনামূল্যে দিতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কেজিপ্রতি ২ থেকে ৪ টাকা কেউ কেউ দিলেও এটা কেবল আনুষ্ঠানিকতা।

নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমরা চাঁদাবাজির বিষয়টি ইতোমধ্যে সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্তাব্যক্তিদের অবহিত করেছি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আমরা দেখছি, কিছু লোক মোটরসাইকেল নিয়ে শিল্পকারখানার সামনে মহড়া দিচ্ছেন।

লোক বদলালেও আগের মতো চাঁদাবাজির খপ্পরে পড়ার আশঙ্কায় বলে উদ্যোক্তারা উদ্বিগ্ন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রূপগঞ্জের একটি বস্ত্রকলে ৩৫ থেকে ৪০ জন তরুণ হানা দেয়। নিজেদের একটি রাজনৈতিক দলের পরিচয় দিয়ে কারখানার কর্মচারীদের তারা বলেন, এখন থেকে অন্য কারও কাছে কারখানার ঝুট বা ফেলনা উপকরণ বিক্রি করা যাবে না। বিক্রি করতে হলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। যোগাযোগের জন্য ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ছয়জন নেতার নাম ও মুঠোফোন নম্বর লেখা একটি কাগজ দিয়ে আসেন তারা। সেই কাগজের থাকা প্রথম নামটি রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি মো. খোকন মিয়া। 

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭৭৮০০৪৭০০
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
বিশেষ প্রতিনিধিঃ তাহিরুল ইসলাম