ঢাকা, ৭ এপ্রিল ২০২৫ — ২০২৩ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার উপর নির্বিচার গুলি চালিয়ে গণহত্যা চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এমন অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকার। জাতিসংঘের তদন্তে উঠে এসেছে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। প্রাণ হারায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ, আহত হন শত শত।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই গণহত্যার বিচার হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে সরকার। তিনি বলেন, “বিচার প্রক্রিয়া আইসিসিতে পাঠানো গেলে সারা বিশ্বের সামনে উন্মোচিত হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নিষ্ঠুর অধ্যায়। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে।”
আন্দোলন দমন সংক্রান্ত নির্দেশনার বেশিরভাগই মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়েছিল বলে জানায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বলেন, “ডেটা শুধু ডিলিট নয়, স্থায়ীভাবে মুছে ফেলারও নির্দেশ ছিল। আমরা সেগুলো পুনরুদ্ধার করে আন্তর্জাতিক মানে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি।”
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউশন টিম ইতোমধ্যে বিশাল পরিমাণ প্রমাণ সংগ্রহ করেছে এবং তা বিশ্লেষণ করছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ আসলে আদালত কারিগরি সহায়তা দিতেও প্রস্তুত রয়েছে।
উল্লেখ্য, রোম চুক্তির আওতায় ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আইসিসি। এটি ১২৫টি রাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক আদালত, যেখানে গঠিত হয় গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মাপকাঠি। বাংলাদেশও এর সদস্য।
সংবাদদাতা: ChatGPT সংবাদ ডেস্ক

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
