ওয়াশিংটন, ২১ জুন — যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের উপযুক্ত হলেও শুধু "লিবারেল না হওয়ার কারণেই" তাকে তা দেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি রিপাবলিক ওয়ার্ল্ডে প্রকাশিত এক বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “আমি চার-পাঁচবার নোবেল পাওয়ার যোগ্য। রুয়ান্ডা, কঙ্গো, কসোভো, এমনকি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনা হ্রাসে আমি বিশাল ভূমিকা রেখেছি। অথচ আমার মতো মানুষদের নোবেল দেওয়া হয় না।”
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পেছনে সাম্প্রতিক এক ঘটনা রয়েছে। পাকিস্তান সরকার ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করেছে। পাকিস্তানের দাবি, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত রোধে ট্রাম্পের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইসলামাবাদ জানিয়েছে, “ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ না হলে উপমহাদেশ যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যেত।”
তবে ভারত এই মনোনয়নকে গুরুত্ব দেয়নি। বরং তারা আগেই স্পষ্ট করেছে, কাশ্মীর বা ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে তারা কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা চায় না।
ট্রাম্পের অভিযোগ, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণেই তার শান্তি প্রচেষ্টাগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায় না। তিনি আগেও দাবি করেছেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা, মধ্যপ্রাচ্যের ‘আব্রাহাম চুক্তি’সহ নানা উদ্যোগে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নোবেল কমিটি ২০২৬ সালে কাদের শান্তির প্রতীক হিসেবে বেছে নেবে? বিশ্বের নানা দেশের মনোনয়ন যাচাই করে তারা সেই সিদ্ধান্ত নেবে। তবে ট্রাম্পের দাবি যে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে, তা বলাই যায়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
