ইরান আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের Al Udeid বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছে। হামলা উদ্দ্যেশ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কাতারে অবস্থানকারী সামরিক বাহিনীর উপর প্রতিশোধ নেওয়া।
ইরানের মাধ্যমে “Operation Fatah’s Blessing” বা “Tidings/Victory” নামে অন্তত ৬–১০ টি রকেট Al Udeid বিমানঘাঁটিতে ছোড়া হয়।
ডোহার আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ পরিবেশিত হলে, কাতার তাৎক্ষণিকভাবে বায়ু সীমান্ত বন্ধ করে সতর্কতা জারি করে।
কাতারের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রকেটসমূহ সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে আনে—স্থানীয়ভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্র টেলিভিশনে এটি “মার্জিত ও সফল প্রতিউত্তর” আখ্যায়িত করা হয়।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
কাতার সরকার ইরানের এই হামলাকে তার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করেছে এবং “আইনসিদ্ধ প্রতিক্রিয়া” নেয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেছে।
(White House) ও পেন্টাগন হামলার ব্যাপারে রিপোর্ট গ্রহণ ও পর্যবেক্ষণ করছে, এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি স্পষ্ট সতর্কতা।
ইরান অগ্রাহী না, বরং তারা বলেছে “প্রথমে যুদ্ধ শুরু হয়নি, তবে প্রয়োজন হলে জাতীয় নিরাপত্তার প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে”।
হামলার সময় যেসব বিমানের অবস্থা ছিল তাও সতর্কতার সঙ্গে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল আগে থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ সামরিক ঘাঁটি CENTCOM- এর প্রধান সদর দফতর এবং প্রায় ১০,০০০ জন আমেরিকান সেনা এখানে অবস্থান করে।
এই প্রতিক্রিয়া ইরানের পক্ষ থেকে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাব—ইরানের পারমানবিক কেন্দ্রগুলোর উপর বিগত সপ্তাহে হামলার প্রতিশোধ ঠেকাতে ইরানের কড়া পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
হামলার ব্যাপারে সহযোগী রাষ্ট্রগুলোর বিবৃতি, যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের প্রতিক্রিয়া, এবং ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপ—সবকিছুই এখন নজর কাড়ছে।
যদি ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র কোনো নতুন পদক্ষেপ নেয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন এক বৃহত্তর সংঘাত শুরু হতে পারে।
ইরান Al Udeid বিমানঘাঁটিতে রকেট নিক্ষেপ করেছে; ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য নিরাপত্তা সঙ্কট। বিশ্ব এখন দ্বিধায় — উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে কতটা সফল হবে?

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
