আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা (IMO) কাউন্সিলের সদস্যপদে পুনঃনির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার লন্ডনে IMO-এর সদর দপ্তরে এই প্রার্থিতা উপস্থাপন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশ 'সি' ক্যাটাগরিতে নির্বাচনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যেখানে ২৭টি দেশের মধ্যে থেকে ২০টি দেশ নির্বাচিত হবে। IMO কাউন্সিল নির্বাচন প্রতি দুই বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ নির্বাচিত হয়েছিল।প্রার্থিতা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও IMO-তে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আবিদা ইসলাম, IMO মহাসচিব আর্সেনিও ডমিনগুয়েজ এবং অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা।সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি সামুদ্রিক জাতি হিসেবে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর এই অঞ্চলের জন্য গেম চেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে ২১ হাজার নাবিক এবং পরিবেশবান্ধব জাহাজ ভাঙা খাতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব আমাদের গর্ব। IMO-তে আমরা সবসময় নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নৌপরিবহনের পক্ষে কথা বলেছি এবং আগামীতেও বলব।”বাংলাদেশের পক্ষে তুলে ধরা প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সামুদ্রিক অনুশীলন পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণে সমর্থন সামুদ্রিক খাতে নারীর ক্ষমতায়নআঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদার করা উল্লেখ্য, IMO হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষার মান নিশ্চিত করে থাকে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৭৬টি এবং সহযোগী সদস্য তিনটি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
