চীন চায় থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সীমান্ত বিরোধ শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হোক। এ নিয়ে নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত অবস্থান থেকে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আসিয়ান সম্মেলনের এক ফাঁকে থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস সাঙ্গিয়াম্পংসার সঙ্গে বৈঠকে এ মন্তব্য করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
ওয়াং ই বলেন, “কাম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে চীন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত।”
প্রসঙ্গত, মে মাসের শেষদিকে থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে, যখন একটি বিতর্কিত অঞ্চলে গুলিবিনিময়ে একজন কাম্বোডিয়ান সেনা নিহত হন। ৮২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের বহু এলাকায় এখনও সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি কাম্বোডিয়া বিষয়টি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) তোলার ঘোষণা দেয়।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই একইদিন কাম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক সকখনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং সীমান্ত ইস্যুতে চীনের নিরপেক্ষ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে তিনি চীন ও কাম্বোডিয়ান নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সেইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অনলাইন জুয়া, প্রতারণা, চোরাচালান ও জালিয়াতির মতো অপরাধ নির্মূলের ওপর জোর দেন।
এদিকে, মার্কিন শুল্কনীতি ইস্যুতে ওয়াং ই বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নিজস্ব সক্ষমতা রয়েছে এই জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সম্মিলিত স্বার্থ রক্ষা করার।
তিনি আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
